Sunday, September 4, 2016

ছাতকে ইমামসহ সর্বমহলের উপস্থিতিতে জঙ্গি বিরুধী সভা



চান মিয়া, ছাতক (সুনামগঞ্জ)ঃ ছাতকের কালারুকা ইউনিয়নের হাজি কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী সভা বিভিন্ন জামে মসজিদের ইমাম, বর্তমান ও সাবেক ইউপি সদস্য, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবী, গন্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক,  ছাত্র-ছাত্রীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর লোকজনের সরব উপস্থিতে যেন এক মিলন মেলায় পরিণত হয়। শনিবার সকাল ১১টায় জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ নিপাত যাক মানবতা মুক্তি পাক এ শ্লোগান নিয়ে বিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রধান শিক্ষক এএইচএম কামালের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা সফিকুর রহমানের স ালনায় অনুষ্টিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি, সাবেক মেম্বার আব্দুল কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, হাসনাবাদ টাইটেল মাদরাসার শিক্ষা সচিব ও রাজাপুর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা সদরুল আমিন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আফতাব উদ্দিন, লামাপাড়া-বিল্লাই জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আলা উদ্দিন, শিক্ষক আলমগীর হোসেন ও মতছির আলী, কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্য লায়েক মিয়া, ইউপি সদস্য কবির আহমদ, গোলাম আহমদ, সমাজসেবী আরশ আলী, সাব্বির আহমদ। সভায় উপস্থিত ছিলেন, কালারুকা বাজার জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুর রহিম, পরিচালনা কমিটির সদস্য ও বর্তমান মেম্বার সদরুল ইসলাম, হোছাইন আহমদ, গিয়াস উদ্দিন, দৈনিক সিলেটের ডাকের গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি বদর উদ্দিন আহমদ, দৈনিক ইনকিলাব প্রতিনিধি চান মিয়া, সমাজসেবী শিহাব উদ্দিন, নূরুল হক, কয়েছ মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার আব্দুল আহাদ, সাবেক মেম্বার খায়রুল ইসলাম, এসএমসির সাবেক সদস্য নূরুল হক-কুটি, সায়েম আহমদ, মোহাম্মদ আলী প্রমূখ। সভার শুরুতে কালামে পাক থেকে তেলাওয়াত করেন, শিক্ষার্থী এনামত আলী তাহির। সভায় বক্তারা বলেন, ইসলাম সন্ত্রাসবাদকে কখনও সমর্থন করেনি। এজন্যে সব পরিবারকেই এক্ষেত্রে সচেতন ভূমিকা পালনের উপর গুরুত্বারোপ করেন। এদিকে ছাতক জালালিয়া আলিম মাদরাসায় সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়েছে। শনিবার মাদরাসা প্রাঙ্গনে পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদুর রহিমের সভাপতিত্বে ও মাওলানা আলী আসগর খানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল আহাদ, হাফেজ আবুল বশর, সিরাজুল ইসলাম সিরাজী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিচালনা কমিটির সদস্য হাজি সৈয়দ মোঃ লাহিন মিয়া, মাওলানা এটিএম নোমান, সাইফুল ইসলাম, মাষ্টার আবদুল করিম, মাহবুবুল আলম পারভেজসহ ছাত্র-শিক্ষক, অভিবাবকসহ বিভিন্ন পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতে ক্বোরআন তেলাওয়াত করেন, হাফেজ আবদুল আল মাসনুন।

খিদিরপুর উচ্চবিদ্যালয়ে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত


মোঃ আরিফ জাওয়াদ, দিনাজপুর:- দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার খিদিরপুর উচ্চবিদ্যালয়ে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৩রা সেপ্টেমবর (শনিবার) এ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে খিদিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন শেষে, বিদ্যালয়ের হল-রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঃ মান্নানের সভাপতিত্বে ও সহঃ শিক্ষক শরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

অলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশে চলমান জঙ্গি হামলার ঘটনায় নিহত ও জড়িতদের ছাত্রের সংখ্যাই ঢের। সকলের অগোচরে দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যত এসব শিক্ষার্থীরা বিপথে চলে যাচ্ছে। পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে নজরদারী থাকা দরকার ; যাতে আর কোন ছাত্র যেন বিপথগামী না হয়। জঙ্গিবাদ রোধে আমাদের সবাইকে আরো বেশি সচেতন হতে হবে।

বক্তারা আরো বলেন, ধর্মের প্রতি অন্ধ বিশ্বাস যাতে শিক্ষার্থীদের মনের মাঝে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস ভিড়তে না পারে সেজন্য সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। জঙ্গিবাদের লাগাম টানতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যাওয়ার জন্য আহ্বান করা হয়।

এ সময় শিক্ষক, অভিভাবক, ছাত্র-ছাত্রী সহ সমাজের সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষিত কর্মসুচীর আলোকে ৩রা সেপ্টেমবর (শনিবার) এ কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়, বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

তারই ধারাবাহিকতায় জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জঙ্গিবাদ বিরোধী কর্মসূচী পালন করা হয়েছে বলে জানা যায়।

রাঙ্গুনিয়ায় শীল কল্যাণ মেধাবৃত্তি পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্টিত



রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি : রাঙ্গুনিয়া উপজেলা শীল কল্যাণ সমিতি মেধাবৃত্তি পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পাবলিক হল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমিতির সভাপতি নির্মল চন্দ্র শীলের সভাপতিত্বে ও সহ-সম্পাদক উত্তম কুমার শীলের স ালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক দ্বিপায়ন সুশীল। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আর্ন্তজাতিক সংস্থা ইউনেষ্কোর সদস্য ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক মিলন শর্মা। উদ্ভোধক ও প্রধান বক্তা ছিলেন অজিত কুমার শীল ও সুভাষ মহাজন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সুখেন্দু বিকাশ শীল, সরফভাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মাষ্টার আবদুর রউফ, ডা. মতিলাল শীল, অধ্যাপক অসীম কুমার শীল, মাষ্টার ইসকান্দর মিয়া তালুকদার, নুর মোহাম্মদ আজাদ, মাষ্টার বিমল কুমার শীল, মাষ্টার সেলিমূল হক, সংবর্ধিত অতিথি মেধাবৃত্তি পরিচালনা উপ-কমিটি আহবায়ক প্রধান শিক্ষক রতন কুমার শীল, ডা. অসীম বরণ সেন, আশ্সি কুমার শীল, মানিক চন্দ্র শীল, সনজিব কুমার সুশীল, যদু সিংহ, অভিভাবক সম্ভু কান্তি বিশ্বাস, শিক্ষার্থী তারমিন আকতার রিমি।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন চন্দন সেন, ডা. সুভাষ চন্দ্র সেন, মাষ্টার প্রকাশ কুমার শীল, দিলীপ কুমার শীল, প্রণব শীল জিকু, চন্দন শীল, সমীর শীল, স্বপন কান্তি শীল, গোপাল কৃষ্ণ শীল, শিল্পী রানী শীল, রাজিব শীল, মাষ্টার শ্রীকান্ত দাশ, ডাঃ বিভূতি মহাজন, এস.এম জাহাঙ্গীর আলম, মাহফুজুল হক চৌধুরী, হৃদয় দাশ প্রমুখ। প্রধান অতিথি বলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা শীল কল্যাণ সমিতি কর্তৃক মেধাবৃত্তি পরীক্ষা প্রচলনের মাধ্যমে একটি মহতি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আমি সেই জন্য প্রথমে সমিতির নেতৃবন্দকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। নেপোলিয়ান বলেছিলেন আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও আমি একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দিব। শিক্ষা দেশ ও জাতির মূল্যবান সম্পদ। একটি জাতি শিক্ষিত হলে দেশ উপকৃত হয়। বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। সামাজিক সংগঠন এইরকম মেধাবৃত্তি পরীক্ষা প্রচলনের মাধ্যমে গ্রামের প্রত্যন্ত অ লের শিক্ষার্থীরা দেশের উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী হয়ে উঠতে সহায়তা করে। তিনি ভবিষ্যতে এই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য সমিতি নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান। পরে প্রধান অতিথি বৃত্তিপ্রাপ্ত ৬৮ জন ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে আর্থিক বৃত্তি, সনদ ও ফুল প্রদান করা

Friday, September 2, 2016

কুয়েতে বিনা বেতনে চাকুরী,দেশ এগুচ্ছে ঠিকই; কিন্তু প্রবাসীদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি

বাংলাদেশী শ্রমিকরা বিনা বেতনে কাজ করে। এ কথাটা আপনার বিশ্বাস নাও হতে পারে। বিশ্বাস আপনার হোক বা না হোক, এটাই বাস্তব, এটাই সত্য। এসব বাংলাদেশী শ্রমিকদের একমাত্র আয়ের উৎস ভিক্ষা, দান, ছদকা ইত্যাদি। অবশ্য এটাকে বখশিস নামেই মুখে মুখে উচ্চারণ হয়। কুয়েতের যে সুপার মার্কেট গুলি আছে, যেটাকে স্থানীয় ভাষায় “জামইয়্যাহ” বলা হয়। এই মার্কেটগুলিতে ক্যাশিয়ারের পিছনে যারা ট্রলি বহন করে তারা কি বেতন পায়? না তারা উল্টো কোম্পানীকে বেতন দেয়? এই সুপার মার্কেটগুলিতে বাংলাদেশী লেবারদের সংখ্যা কয়েক হাজার হবে। এরপর কুয়েত এয়ারপোর্টে যারা ট্রলি বহন করে, তাদেরও ঐ একই অবস্থা। সেখানের সংখ্যাটাও কম নয় কুয়েতের সুক আল জুম্মা নামে পরিচিত মার্কেট। যেটাকে ফ্রাইডে মার্কেট বলা হয়। এই ফ্রাইডে মার্কেটে যারা ট্রলি বহন করে তাদেরও ঠিক ঐ একই অবস্থা বেতন নাই।
কুয়েতের ছাবরা বা হোল সেল মার্কেট, এই ভ্যাজিটেবল বা হোল সেলে মার্কেটে যারা ট্রলি বহন করে, তাদের সংখ্যাও কম নয়। তারাও ঐ জামইয়্যার মতন বেতন পাওয়ার পরিবর্তে উল্টো বেতন দিতে হয়। দান, ছদকা, বখশিসের মাধ্যমে যা পায় তার থেকে একটা অংশ প্রতিদিন কোম্পানীর ফান্ডে জমা দিতে হয়। এছাড়াও আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান আছে যেমন ফিস মার্কেট। পোর্ট এলাকা। এখানে যারা কাজ করেন তাদের ও ঐ একই অবস্থা। মার্কেট এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছাড়া আরও যে সব এলাকা আছে যেমন সুপার মার্কেটের সামনে বা জামইয়্যার সামনে, (গাড়ী পার্কিং এরিয়া) কুয়েতীদের আবাসিক এলাকা, ট্রাফিক সিগন্যালের মোড়, স্কুল ও হাসপাতালের সামনে, বিনোদন মূলক পার্কের সামনে যারা ঝাড়– মারেন বা ক্লিনারের কাজ করেন। এরা প্রতি মাসে কোম্পানীর নিকট থেকে একটা বেতন পান। তবে সেই বেতনের একটা অংশ বা বেতনের অর্ধেক বা তারও বেশী তার উপর ওয়ালাদের সন্তুষ্টির জন্য উপরে পাঠাতে হয়। এরপর তার মাসিক খরচ ও অন্যান্য খরচ এবং দেশের বাড়ীতে টাকা পাঠানো। যা আমাদের সরকারের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন। সেটা নির্ভর করতে হয় দান, ছদকা, বখশিস ইত্যাদির উপর। ক্লিনার বা লেবাররা তাদের উপর ওয়ালাদের সন্তুষ্ঠির জন্য হাদিয়া পাঠাতে যদি হেরফের হয়, তাহলে তার পরিণতি কাজের স্থান বদল। যেখানে কাজ করছিল সেখান থেকে বদলী করে অন্যত্র দূরে কোথাও।
এরপর আসুন কুয়েতের মসজিদগুলিতে যারা ফরাশ বা ক্লিনার হিসাবে কাজ করছেন তাদের কথায়; মসজিদগুলিতে ফরাশের কাজ পাওয়ার জন্য মোটা অংকের হাদিয়া উপর ওয়ালাদের দিতে হয়। ঐ হাদিয়ার টাকা আয় করতে একজন ফরাশের কখনও এক বৎসর বা তারও বেশী সময় লাগে এই সময়টা বিনা বেতনেই চাকুরী করার মতন।
কুয়েতের বাসা বাড়ীতে যারা চাকুরী করে, তাদের কথা ধরুন। তারাও কোন না কোনভাবে হারাতে হয় তাদের একাধিক মাসের বেতন। কখনও দেখা যায় একজন ড্রাইভার দু’বছর চাকুরী করার পর যখন তার মালিককে বলে আমি দেশে যাবো। তখন মালিক হয়তো তাকে জানিয়ে দিচ্ছে না তোকে দেশে যেতে দেওয়া হবে না। তুই অন্য কোথাও কাজ দেখ। তোকে রিলিজ দেব। আর রিলিজের জন্য ২০০ দিনার দিতে হবে। যদি রিলিজের টাকা দিতে না পারিস তাহলে তোর বেতনের টাকা দিয়ে তুই দেশে যাবি। আমি তোর আকামা কেটে দেব। এই আকামা বা রেসিডেন্সী পারমিট কাটার ভয়ে দেশে ফেলে আসা স্ত্রী, সন্তানদের কথা চিন্তা করে বাসায় চাকুরী করেন এমন অনেকে তার মালিকের হাতে টাকা তুলে দেয়।
অথবা কয়েক মাসের বেতনে ছেড়ে দিয়ে অন্যত্র কাজে যোগ দেয়। ছুটিতে দেশে গিয়ে স্ত্রী সন্তান, মাকে দেখার আর সুযোগ হয়নি। রাতের আঁধারে চোখের পানিতে বুক ভাসায়।
বিভিন্ন বড় কোম্পানীতে আর মিনিষ্ট্রিতে ড্রাইভার সাপ্লাই দেয় এমন কিছু গাড়ী ভাড়ার কোম্পানী আছে। যারা ড্রাইভারসহ গাড়ী দেয়। এসব ভাড়া গাড়ীর কোম্পানীতে যারা ড্রাইভার হিসেবে কাজ করেন তাদের সাথে কি কখনও আলাপ করে দেখেছেন। তারা কি পায় কি দেয়। ৪০ দিনার থাকা খাওয়া নিজের। বলেন তো কিভাবে চলবে। ৭/৮ লাখ টাকা খরচ করে এসেছে। ঐ টাকাই বা কিভাবে উঠাবে। উপায় না দেখে কোম্পানীর চাপিয়ে দেয়া শর্তটি মেনে নিতে হয়। কোম্পানীর গাড়ী প্রতিদিন কোম্পানীর গ্যারেজে জমা না দিয়ে নিজের কাছে রাখতে পারবে। গাড়ীর তেল, মবিল থেকে শুরু করে যাবতীয় খরচ সব নিজেই বহন করতে হবে। নিজের থাকা খাওয়ার খরচ, গাড়ীর যাবতীয় খরচ ইত্যাদি সব বহন করতে গিয়ে বাধ্য হয়ে নামতে হয় ঝুঁকির পথে অবৈধ যাত্রী বহনে। ৩/৪ বছর পর দেশে যাওয়ার কথা চিন্তা করলেও তা সহজে হয়ে উঠেনা। দেশে যেতে বিমানে উঠার জন্য ছুটি পাওয়া ও পাসপোর্ট হাতে পেতে উপর ওয়ালাদের সন্তুষ্টির জন্য দিতে দিতে পকেটের অবস্থা শূন্যে পৌঁছে। অনেক সময় খালি হাতে দেশের পথে যাত্র করতে হয়। এখন আপনিই বলুন ৩/৪ বছর চাকুরী করে কি পেল সে।
বিবরণ কাহিনী আর বেশী টানলাম না। আরও আছে হিসাব করলে দেখা যাবে এই কুয়েতে যে পরিমাণ বাংলাদেশী শ্রমিক আছে, তার মধ্যে অর্ধেকের মত শ্রমিক বিনা বেতনে কাজ করে যাচ্ছে। এরা দান, খয়রাত, ছদকা, আর বখশিসের আয়ের দ্বারা তাদের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। আমাদের সরকার আর আমাদের বিদেশের কুটনৈতিক মিশনগুলির মাননীয় কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রবাসের এসব শ্রমিকদের হাল অবস্থার তথ্য জানা থাকারই কথা। তবুও না জানারই ভান না দেখারই ভান। এভাবে চলছে। সামনের দিনগুলোও হয়তো এভাবে যাবে।
প্রবাসী শ্রমিকরা দান, ভিক্ষা, ছদকার মাধ্যমে দিনার উপার্জন করবে। সেই দিনার (টাকা) দেশে পাঠিয়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ফান্ড বাড়াবে। আর তখন আমাদের মন্ত্রীরা গর্ব আর অহংকারের সাথে বলবেন এ বছর প্রবাসী শ্রমিকরা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সাফল্য অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙ্গেছে। এই অবস্থা আর কত দিন চলবে….?

ipcblogger.net থেকে সংগৃহীত 

Thursday, September 1, 2016

ভাটিবাংলার ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও আধুনিকায়ন করে সরকারি ভাবে পর্যটন এলাকা হিসাবে ঘোষণা করার দাবি

বেলাল হোসেন, কুয়েত থেকেঃ  সুজলা সুফলা শষ্য-শ্যামল আমাদের সুনামগঞ্জ জেলা, ধনে ধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা। মৎস,পাথর, ধান সুনামগঞ্জের প্রাণ, বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলার মধ্যে ধান, মাছ, পাথর সমৃদ্ধশালী হিসাবে খ্যাত সুনামগঞ্জ বাংলাদেশের একটি অন্যতম ঐতিহ্যবাহি জেলা। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সামাজিক রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অংঙ্গণে অতুলনীয় ভুমিকা পালন করছে।

বিশেষ করে আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে মাইল ফলক ভুমিকা রাখছে। তবে বাংলাদেশের উন্নয়নের তুলনায় এই এলাকায় তেমন একটা উন্নয়ন পরিলক্ষিত হচ্ছেনা। সদ্য বন্যাপ্লাবিত সহ বুরো মৌসুমে অকাল বন্যা ইত্যাদি সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে,  বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক, উদাসীনতার কারণে সরকারি ভাবে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে।
বিশেষ করে সুনামগঞ্জের চারিদিকে বিভিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য স্থাপনা সঠিক পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে দিন দিন তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য হারিয়ে অনেকটা ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
জেলার সচেতন মহল এবিষয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন,  এমনই পরিস্থিতি চলতে থাকলে অচিরেই সুনামগঞ্জের দুর্লভ সুনাম টিকিয়ে রাখা মুশকিল হয়ে পড়বে।

অতএব, বিভিন্ন ঐতিহ্য সম্বলিত স্থান নিবার্চন করে সরকারি ভাবে আধুনিকায়ন করে পর্যটন এলাকা হিসাবে ঘোষণা করার জন্য,ভাটিবাংলার জনগনের প্রাণের দাবি হিসাবে উত্তাপন করলাম।
অতি শীঘ্রই জনগুরুত্ব পুর্ন বিষয় হিসাবে বিবেচনা করে আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে সুনামগঞ্জের মানুষের প্রাণের দাবি বাস্তবায়ন করার জন্য সরকারের কাছে জোড় দাবি জানাচ্ছি।

এ দাবি পূরণ হলে সুনামগঞ্জ তথা বাংলাদেশ পর্যটন শিল্পখাতে আর একদাপ এগিয়ে যাবে, শৈল্পিক উন্নতির সাথে সাথে বিভিন্ন কর্ম সংস্থান সহ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষমতা অর্জন করবে বলে আমি আশাবাদী।

কুয়েত সরকারের কঠোর নজরদারিতে সভা-সমাবেশ ও দেশটির বিমান,নৌ ও স্থলবন্দর

অগ্রদৃষ্টি ডেস্কঃ কুয়েতের নিরাপত্তা খাতে কঠোর নির্দেশ জারি করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।
বিশ্বস্ত একাধিক সূত্র থেকে প্রাপ্ত খবরের ভিত্তিতে দেশটিতে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টির আভাস পাওয়া গেলে সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
আর এজন্য কুয়েতের অভ্যন্তরে বিনা অনুমতিতে সভা, সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।
দৈনিক পত্রিকা ‘’আন-নাহার’’ উক্ত মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এমনই একটি নিউজ করেছে।

এদিকে কুয়েতের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে জানাগেছে, সমুদ্রপথ, আকাশপথ বা স্থলপথে কোন ধরনের অস্ত্র-গোলাবারুদ, বিস্ফোরক বা মাদকদ্রব্য আসা ঠেকাতে ৩৩ দেশের মতো কুয়েতেও চলছে এ অভিযান।

দেশটিতে বিস্ফোরকদ্রব্যসহ অন্যান্য আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য আটকের ওপর জোর দেয়া হচ্ছে।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জঙ্গী হামলার প্রেক্ষিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য অবৈধভাবে যেন কোন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা বিস্ফোরক এবং মাদকদ্রব্য পরিবহন হতে না পারে।

এদিকে দেশের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন সব ধরনের  কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে দেশটিতে বসবাসরত সকল প্রবাসীদেরকে অনুরোধ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, দুষ্কৃতিকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে এসে কঠিন শাস্তি প্রদান করা হবে।