Tuesday, March 1, 2016

বরিশালে আভাস’র উদ্যোগে ভূমিহীন নারী কৃষকদের মাঝে খাসজমি বিতরণ

অপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) থেকে : 
বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন ‘আভাস’ দাতা সংস্থা গ্রো এবং অক্সফ্যাম এর আর্থিক সহায়তায় ‘বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তায় নারী কৃষকদের অধিকার সংরক্ষণে জাতীয় প্রচারাভিযান’ কার্যক্রম ২০১৪ সাল থেকে বরিশাল জেলায় নারী কৃষক ফোরামের সদস্য, সিভিল সোসাইটি প্রতিনিধি, গণমাধ্যম, সিএসআরএল’র সদস্য, বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী ও স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় বাস্তবায়ন করে আসছে। নারী কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠা, খাদ্য নিরাপত্তায় তাদের অবদানের স্বীকৃতি আদায় এবং নারী কৃষকবান্ধব আইন ও নীতি প্রণয়নের দাবিতে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এ কার্যক্রমের উদ্দেশ্য। বাংলাদেশে তৃণমূল পর্যায়ের নারী কৃষকগণ তাদের অধিকার এবং দাবি-দাওয়া বিষয়ে সোচ্চার হতে পারে, কিন্তু সরাসরি নীতি নির্ধারক এবং সংসদ সদস্যদের কাছে তাদের বক্তব্য জানাতে বা বিষয়গুলি সংসদ সদস্যদের আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করাতে পারেনা। নারী কৃষক প্রচারাভিযান কার্যক্রম নীতি নির্ধারক, সংসদ সদস্য ও নাগরিক সমাজের মধ্যে একটি যোগাযোগ স্থাপন করতে সহায়তা করবে, যাতে নারী কৃষকের প্রয়োজনগুলো নীতি আকারে নিয়ে আসা যায় এবং তা আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার মধ্যে নেয়া সম্ভব হয়। এরই ধারাবাহিকতায় জনগণের অধিকার রক্ষায় এবং সক্রিয় সহযোগিতায় দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলের ভূমিহীন দরিদ্র মানুষের এবং নারী কৃষকের ভূমি অধিকার সংস্কারের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের জন্য গত সোমবার বরিশালে আভাস সম্মেলন কক্ষে আয়োজন করা হয় সংসদ সদস্য, সরকারী-বেসরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইনজীবি, সংবাদকর্মী, সুশীল সমাজ ও তৃণমূল নারী কৃষক নিয়ে মতবিনিময় সভার। উপকূলীয় জেলা বরিশালের নারী কৃষক এবং দরিদ্র প্রান্তিক মানুষের উপকারার্থে ভূমি সংস্কারের দাবিকে জোরদার করে বিদ্যমান ভূমি আইন, বিধি ও নীতির কার্যকারিতা মূল্যায়ন করে সেগুলোকে নারী কৃষক ও দরিদ্র বান্ধব করে নতুন আইন প্রণয়ন বা বিদ্যমান আইন ও নীতির উন্নয়নে নীতি নির্ধারকদের মনোযোগ আকর্ষণ করা হয়। দরিদ্র নারী কৃষকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া ও কর্মসূচী বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ করে আভাসের কর্মসূচীকে সহযোগিতা করার জন্য জেলার দু’জন সাংবাদিক দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি অপূর্ব লাল সরকার ও যুগান্তর প্রতিনিধি শাওন খানকে এবং স্থানীয় সরকার পর্যায়ে অবদানের জন্য চাঁদপাশা, কাশীপুর ও বাটাজোরসহ তিন ইউপি চেয়ারম্যানকে সম্মাণনা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

দীর্ঘ ৪৩ বৎসরের আশা চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন অবশেষে নির্মাণ

জগলুল হুদা, রাঙ্গুনিয়া : রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নে দীর্ঘ ৪৩ বছরের চাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন অবশেষে নির্মাণ হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ হওয়ায় ইউনিয়নের সার্বিক কার্যক্রমে গতি সঞ্চার হয়েছে। দীর্ঘদিন যাবৎ ইউনিয়ন পরিষদ ভবন না থাকায় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যক্রমে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়েছিল। ইউনিয়ন পরিষদের সার্বিক কার্যক্রম গতি ফিরিয়ে আনতে গত বছর পরিষদ নির্মাণের প্রকল্প গৃহিত হয়। এ বছরের শুরুতেই ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণে টেন্ডার আহবান করা হয়। টেন্ডারে ভবন নির্মাণে টিকাদার হিসেবে কৌশিক এন্টারপ্রাইজ কাজ পায়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ভবন নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণরূপে সমাপ্ত হয়। ভবনের নির্মাণের কারণে স্থানীয় জনগণ তথ্য সেবা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদের যাবতীয় সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তি পূর্বের চেয়ে সহজ হয়েছে। ভ্রাম্যমান কোন প্রতিষ্ঠান থেকে নয় একটি নির্দিষ্ট ইউনিয়ন ভবন থেকেই সব সুবিধা পাবে জনগণ।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ড.হাছান মাহমুদ এমপি প্রধান অতিথি হয়ে ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার কথা থাকলেও এর আগে ১১ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের তফসিল ঘোষণার কারণে নির্মিত ইউপি ভবনটি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্ভব হয়নি।
কৌশিক এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী কামরুল ইসলাম জানান, এলজিইডি থেকে বরাদ্দকৃত ৮১ লক্ষ্য টাকা ব্যয়ে এই ভবন নির্মাণ হয়েছে। ভবনটির সম্পূর্ণ নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। এখন থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি থেকে সার্বিক সেবা দেওয়া যাবে।
ইউনিয়নের কদমতলী এলাকার আবু তাহের জানান, এতদ অঞ্চলের মানুষের ৩ যুগেরও বেশি দিনের আশা ছিল এই ইউনিয়ন পরিষদ ভবন। এটি নির্মাণ হওয়ায় ইউনিয়নবাসী খুবই উপকৃত হবে।
চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইদ্রিছ আজগর জানান, দীর্ঘ ৩ যুগেরও বেশি সময় ধরে ইউনিয়ন পরিষদের ভবন ছিল না। ভবন না থাকায় বিভিন্নমুখি সমস্যায় পড়তে হতো। সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপির প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় ভবন নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদন থেকে শুরু করে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। অবশেষে চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নে ভবন নির্মাণের কার্যক্রম শেষ হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ ভবন হওয়ায় চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের সার্বিক কার্যক্রমে গতির সঞ্চার এসেছে।

ঝিনাইদহে জালিয়াতি করে বিধবা ভাতা গ্রহণ !

ষ্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ,
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ৫নং শ্যামকুড় ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের শরিষাঘাটা গ্রামের মোঃবাছেদ ঢালী নামের এক ব্যাক্তির বসবাস , সে তার ছোট ভাই মৃত মোঃ বাচ্চু ঢালীর স্ত্রীর বিধবা ভাতার পরিবর্তে নিজে এই সুবিধা ভোগ করছে বলে অভীযোগ উঠেছে। আওয়ামীলীগের কিছু দূর্নীতি বাজ লোকের যোগসাজে মোঃ বাছেদ ঢালী বর্তমানে জীবিত থাকা সত্যেও সে তার নামের পূর্বে মৃত উল্লেখ করে এমপিও ভূক্ত ভাবে বিগত কয়েক বছর যাবৎ তার স্ত্রীর নামে বিধবা ভাতা গ্রহণ করে আসছে। অথচ আজও মৃত মোঃ বাচ্চু ঢালীর স্ত্রী পাইনি কোন বিধবা ভাতা। এ বিষয়ে মোঃবাছেদ ঢালী কে জিঞ্জাসা করলে, তিনি সাংবাদিকের কাছে বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করেন এবং মহেশপুরের এমপি-অধ্যাপক নবী নেওয়াজের কাছ থেকে মিথ্যার আশ্রয়ে বাছেদ ঢালী নিজে আত্মগোপন থেকে এলাকার কোন কোন দূর্নীতিবাজদের সহযোগীতায় এই জালিয়াতী করেছেন , তাদের নামও স্বীকার করেন বাছেদ ঢালী। এলাকাবাসীর দাবী- মিথ্যার আশ্রয়ে বাছেদ ঢালী নিজে আত্মগোপন থেকে এলাকার দূর্নীতিবাজদের সহযোগীতায় নিয়মিত যে অপরাধ করে চলেছেন তার বিষয়টি যেন দ্রুত তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের মধ্যদিয়ে মোঃবাছেদ ঢালীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করে।

ডা: এম.এ.লতিফ আইডিয়াল স্কুল এর শিক্ষা সফর ও বনভোজন

আল আমিন রানা : আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিঃ
সোনারগাঁও থানার নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরমেশ্বরদী ডা: এম..লতিফ আইডিয়াল স্কুল এর  উদ্যোগে ২৯শে ফেব্রেুয়ারী সমবার বার্ষিক শিক্ষা সফর অনুষ্ঠিত হয়েছে ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করে শিক্ষা সফরে সুশৃঙ্খল আয়োজন সুস্থ বিনোদনচর্চা সকলকে মুগ্ধ করে
শিক্ষা সফর মানব জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এমনকি এক কথায় বলা যায় যে, সফর মানব সভ্যতার এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। মানব জাতি দেশ হতে দেশান্তরের খবর জানতে পেরেছে শিক্ষা সফরের মাধ্যমে। অজানাকে জানার জন্যে, অদেখাকে দেখার জন্যে, পরিচিত গণ্ডির বাইরে অপরিচিত জগৎটাকে দেখার জন্যে। অন্তরের আকুল আগ্রহ নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না।
 দেশ বিদেশের ঐতিহাসিকরা একের পর এক দেশ সফর করে মানব সভ্যতার ইতিহাস রচনার যেমন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে তেমনি বিশ্ব সাহিত্যকেও সমৃদ্ধ করেছে। ভ্রমণ মানুষের সুপ্ত প্রবৃত্তির বিকাশ ঘটায়, জ্ঞানের দ্বার উন্মোচন করে। তার দৃষ্টান্ত আমাদের সাহ্যি অঙ্গনের প্রায় বেশির ভাগ কবি, সাহিত্যিক, ঔপন্যানিসক, প্রাবন্ধিক, গল্পকার, ছড়াকারদের দিকে দৃষ্টি দিলে দেখতে পাওয়া যায়, তাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কম সমাজের অন্যন্য স্তরের অবস্থানকারী অনেক বড় বড় ডিগ্রিধারী ব্যক্তির তুলনায়। এর মূল কারণ খুঁজতে গেলে দেখা যায়, সর্বাগ্রে ভ্রমণ। তাদের আত্মজীবনী পড়লে আমরা দেখবো তারা একটি জায়গায় স্থির থাকেনি। চষে বেড়িয়েছেন ক্রমশ বাংলার পথে-প্রান্তরে দেশ-দেশান্তরে।

এবারে আসা যাক শিক্ষা সফর জীবনের জন্য কতোটা অনিবার্য। পৃথিবীর বহু উন্নত দেশেই একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি রয়েছে সফরের ব্যবস্থা। একে বলা হয় শিক্ষা সফর। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে বহু বিষয়েই পাঠদান করা হয়ে থাকে। সে সবের প্রায় প্রতিটি বিষয়ই আমাদের জীবন জীবন ব্যবস্থার সাথে সম্পৃক্ত। তাই পুঁথিগত বিদ্যার বাইরে সেসব বিষয়ের সাথে পরিচিত হবার মধ্যেই রয়েছে শিক্ষার সম্পূর্ণতা।
 মানবিক বিজ্ঞান, বাণিজ্য প্রভৃতি বিষয়ের সাথে বাস্তবে পরিচিত হবার জন্যে শিক্ষা সফর অতি প্রয়োজনীয়। জীবনের সাথে শিক্ষার সম্পর্ক যেমন নিবিড়, শিক্ষার সাথে সফরের সম্পর্কও তেমনি নিবিড়। তাই সফর শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। শিক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্রেই সফরের গুরুত্ব রয়েছে। যেমন-ইতিহাস। এমন মানুষের সৌন্দর্য জ্ঞান পিপাসা বাড়ায়। মানুষকে বিশাল পৃথিবীর অন্তহীন সৌন্দর্য রহস্যের মধ্যে অবগাহন করার সুযোগ করে দেয়। তাই জীবনে বৈচিত্র আনয়নে, অভিজ্ঞতা অর্জন সৌন্দর্য পিপাসা নিবৃত্ত করার জন্য দেশে ভ্রমণ/শিক্ষা সফর করা উচিত। পরিশেষে বলা যায় যে, শিক্ষার জন্য জীবন নয়, জীবনের জন্যে শিক্ষার প্রয়োজন। সুশিক্ষা অর্জনের ফলে নিজের জীবনকে যেমন সুন্দর করা যায়, সেই সুন্দর জীবনকে দিয়ে তেমনি সমাজ জগৎটাকেও সুন্দর করা যায়
সোনারগাঁও থানার পরমেশ্বরদী ডা: এম..লতিফ আইডিয়াল স্কুল এর  উদ্যোগে ২৯শে ফেব্রেুয়ারী    সমবার বার্ষিক শিক্ষা সফর অনুষ্ঠিত হয় ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করে শিক্ষা সফরে সুশৃঙ্খল আয়োজন সুস্থ বিনোদনচর্চা সকলকে মুগ্ধ করে এমনটাই মোবাইল ফোনে বাবাকে জানালেল প্রবাসী সাংবাদিক আল আমিন রানার ছেলে  সৌরভ আহম্মেদ আমিন

( লেখক আল আমিন রানা

দুই সিটি করপোরেশনের আয়তন বাড়ছে

জাকির সিকদারঃ ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে নাগরিক সুবিধা নিয়ে অন্তহীন অভিযোগ থাকলেও রাজধানীর আশপাশের আরো ১৬টি ইউনিয়নকে সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় আটটি এবং দক্ষিণে আটটি ইউনিয়ন পরিষদ যুক্ত হবে।ঢাকা সিটি করপোরেশন বিদ্যমান আয়তন ৩৬০ বর্গ কিলোমিটার। ভোটার ৩৭ লাখ ৫৫ হাজার ৬শ ৯০ জন। ২০১১ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশন দুই ভাগ করা হয়। ৩৬টি ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা উত্তর ও ৫৭টি ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন হয়। ১৬টি ইউনিয়ন যোগ হওয়ায় আয়তনের সঙ্গে ভোটারের সংখ্যা বাড়বে।
এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব চূড়ান্ত করে তা প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির অনুমোদনের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া শেষ করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আব্দুল মালেক বলেন, যেসব এলাকা নতুন করে দুটি সিটি করপোরেশনে নেয়া হচ্ছে সেগুলোর ৭৫ ভাগ লোক অ-কৃষিজীবী। এসব এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্প-কারখানা রয়েছে। এলাকার মানুষও দীর্ঘদিন ধরে সিটি করপোরেশনের আওতায় আসতে চান। দীর্ঘদিন পরে হলেও তাদের দাবির প্রতিফলন ঘটতে যাচ্ছে।
সরকারের এ উদ্যোগকে সমর্থন করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. সাঈদ খোকন বলেন, সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর ওই এলাকার নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন হবে বৃহৎ পরিকল্পনার মাধ্যমে।
জানা গেছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মধ্যে ঢাকা জেলার যেসব ইউনিয়ন আসবে তার মধ্যে রয়েছে- বেরাইদ, বাড্ডা, ভাটারা, সাতারাকুল, হরিরামপুর, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও ডুমনী ইউনিয়নের সকল মৌজা। এছাড়া চাকুলী, চকদিগুন ও শৈলপুর মৌজার ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড অধিকৃত ভূমি এবং ইতিপূর্বে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এলাকা ছাড়া এসব মৌজার বাকি জমিও সিটি করপোরেশনের আওতায় আসবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মধ্যে যেসব ইউনিয়ন থাকবে সেগুলো হচ্ছে শ্যামপুর, মাতুয়াইল, ডেমরা, দনিয়া, সারুলিয়া, দক্ষিণগাঁও, নাসিরাবাদ ও মান্ডা ইউনিয়নের সকল মৌজা।
১৯৭৮ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশন গঠিত হলেও এর আশপাশে থাকা ১৬টি ইউনিয়ন ডিসিসি কিংবা কোনো উপজেলার আওতায় না আনায় রয়ে যায় তেজগাঁও সার্কেলের অধীনে। অবশেষে এই ইউনিয়নের জনগণের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সিটি করপোরেশনের আওতায় আনা হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন-২০০৯ এর ৪ ধারায় সিটি করপোরেশন এলাকা সম্প্রসারণের বিধান রয়েছে।

Agrodristi Online TV

Agrodristi Online TV