জানা গেছে , কৈশোর থেকে গণতন্ত্র চর্চার সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়নের কাজে শিক্ষার্থীদের যুক্ত করতে দেশের মাধ্যমিক স্তরের স্কুল-মাদরাসায় ‘স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন’ হয়। “প্রত্যেক ভোটার প্রত্যেক শ্রেণিতে একটি, সর্বোচ্চ তিন শ্রেণিতে ২টি করে মোট ৭টি ভোট দেন শিক্ষার্থীরা। প্রত্যেক শ্রেণি থেকে একজন করে পাঁচটি শ্রেণি (ষষ্ঠ-দশম) থেকে ৫ জন ও পরবর্তী সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া ২ জনকে নিয়ে এক বছরের জন্য ৭ সদস্যের মন্ত্রিসভা হবে। কেবিনেটের কর্মপরিধিতে থাকবে পরিবেশ সংরক্ষণ, পুস্তক ও শিখন সামগ্রী, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, পানিসম্পদ, বৃক্ষরোপন ও বাগান তৈরি, দিবস পালন ও অনুষ্ঠান সম্পাদন, অভ্যর্থনা ও আপ্যায়ন এবং আইসিটি। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে প্রথম বৈঠকে বসবে কিশোর শিক্ষার্থীদের মন্ত্রিসভা। এই বৈঠকে ‘কেবিনেট প্রধান’ নিজেদের মধ্যে কর্মবণ্টন, সহযোগী সদস্য মনোনয়ন এবং সারা বছরের কর্মপরিকল্পনা করবে। স্টুডেন্ট কেবিনেটকে মাসে কমপক্ষে একটি সভা করতে হবে । শিক্ষকরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সহযোগিতা ও পরামর্শ দেবেন। প্রতি ছয় মাস পর সব শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে কেবিনেটের সাধারণ সভা হবে।
Monday, March 21, 2016
উৎসব মুখর পরিবেশে রাঙ্গুনিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের স্টুডেন্টস কেবিনেট নির্বাচন সম্পন্ন
জগলুল হুদা, রাঙ্গুনিয়া : ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের গণতন্ত্র চর্চার সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষে সারা দেশের ন্যায় রাঙ্গুনিয়াতেও সোমবার (২১মার্চ) অনুষ্ঠিত হয়েছে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দাখিল মাদ্রাসায় স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন। এতে উপজেলার প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উৎসব মুখর পরিবেশে ভোটে অংশ নিয়েছে। এই নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং অফিসারসহ শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বও ছিল শিক্ষার্থীদের উপর। শিক্ষক, পরিচালনা পর্ষদ এবং অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করেন। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির সব শিক্ষার্থীই ছিল ভোটার। উপজেলার বিভিন্ন স্কুলের মতো রাঙ্গুনিয়া আদর্শ বহুমুখী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়েও সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বেলা ২ টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। বিগত ৮ মার্চ শিক্ষার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে। নির্বাচনে ৭ টি পদে ২৮ জন প্রার্থী ফরম সংগ্রহ করে এবং তারাই শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্ধিতা করেন। এতে বিদ্যালয়টির ৬ষ্ট থেকে ১০ শ্রেনীর ১৫৬৫ জন ভোটারের মধ্যে ভোট প্রদান করেন ৭৬৫ জন ভোটার। ফলাফলে ৬ষ্ট শ্রেনির ছাত্র সিয়াম বিন ওসমান প্রাপ্ত ভোট ৩৪৩, ৭ম শ্রেনীর ছাত্র মুতাব্বির হোসেন প্রাপ্ত ভোট ২০১, ৮ম শ্রেনির ছাত্রী কানিজ ফাতেমা শাইলা প্রাপ্ত ভোট ২১৩, ৯ম শ্রেনির ছাত্রী সাদিয়া সুলতানা প্রাপ্ত ভোট ২২৬ ও ইয়াছিন আরাফাত প্রাপ্ত ভোট ১৭৮, ১০ম শ্রেনির ছাত্র মো. আরফাত হোসেন প্রাপ্ত ভোট ৩৪১ও সাহেদুল ইসলাম একান্ত প্রাপ্ত ভোট ৩২৬। সকালে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন। নির্বাচনে সহযোগিতা করেন রাঙ্গুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান, সমন্বয়কারী ছিলেন স্কুলের শিক্ষক আবু সায়েম শামু। নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন ১০ম শ্রেনির ছাত্রী তাহমিনা রহমান।
জানা গেছে , কৈশোর থেকে গণতন্ত্র চর্চার সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়নের কাজে শিক্ষার্থীদের যুক্ত করতে দেশের মাধ্যমিক স্তরের স্কুল-মাদরাসায় ‘স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন’ হয়। “প্রত্যেক ভোটার প্রত্যেক শ্রেণিতে একটি, সর্বোচ্চ তিন শ্রেণিতে ২টি করে মোট ৭টি ভোট দেন শিক্ষার্থীরা। প্রত্যেক শ্রেণি থেকে একজন করে পাঁচটি শ্রেণি (ষষ্ঠ-দশম) থেকে ৫ জন ও পরবর্তী সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া ২ জনকে নিয়ে এক বছরের জন্য ৭ সদস্যের মন্ত্রিসভা হবে। কেবিনেটের কর্মপরিধিতে থাকবে পরিবেশ সংরক্ষণ, পুস্তক ও শিখন সামগ্রী, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, পানিসম্পদ, বৃক্ষরোপন ও বাগান তৈরি, দিবস পালন ও অনুষ্ঠান সম্পাদন, অভ্যর্থনা ও আপ্যায়ন এবং আইসিটি। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে প্রথম বৈঠকে বসবে কিশোর শিক্ষার্থীদের মন্ত্রিসভা। এই বৈঠকে ‘কেবিনেট প্রধান’ নিজেদের মধ্যে কর্মবণ্টন, সহযোগী সদস্য মনোনয়ন এবং সারা বছরের কর্মপরিকল্পনা করবে। স্টুডেন্ট কেবিনেটকে মাসে কমপক্ষে একটি সভা করতে হবে । শিক্ষকরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সহযোগিতা ও পরামর্শ দেবেন। প্রতি ছয় মাস পর সব শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে কেবিনেটের সাধারণ সভা হবে।
জানা গেছে , কৈশোর থেকে গণতন্ত্র চর্চার সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়নের কাজে শিক্ষার্থীদের যুক্ত করতে দেশের মাধ্যমিক স্তরের স্কুল-মাদরাসায় ‘স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন’ হয়। “প্রত্যেক ভোটার প্রত্যেক শ্রেণিতে একটি, সর্বোচ্চ তিন শ্রেণিতে ২টি করে মোট ৭টি ভোট দেন শিক্ষার্থীরা। প্রত্যেক শ্রেণি থেকে একজন করে পাঁচটি শ্রেণি (ষষ্ঠ-দশম) থেকে ৫ জন ও পরবর্তী সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া ২ জনকে নিয়ে এক বছরের জন্য ৭ সদস্যের মন্ত্রিসভা হবে। কেবিনেটের কর্মপরিধিতে থাকবে পরিবেশ সংরক্ষণ, পুস্তক ও শিখন সামগ্রী, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, পানিসম্পদ, বৃক্ষরোপন ও বাগান তৈরি, দিবস পালন ও অনুষ্ঠান সম্পাদন, অভ্যর্থনা ও আপ্যায়ন এবং আইসিটি। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে প্রথম বৈঠকে বসবে কিশোর শিক্ষার্থীদের মন্ত্রিসভা। এই বৈঠকে ‘কেবিনেট প্রধান’ নিজেদের মধ্যে কর্মবণ্টন, সহযোগী সদস্য মনোনয়ন এবং সারা বছরের কর্মপরিকল্পনা করবে। স্টুডেন্ট কেবিনেটকে মাসে কমপক্ষে একটি সভা করতে হবে । শিক্ষকরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সহযোগিতা ও পরামর্শ দেবেন। প্রতি ছয় মাস পর সব শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে কেবিনেটের সাধারণ সভা হবে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment