মেয়েরা খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।।
(একটি মেয়ের জীবনের আত্বকাহিনী)
আমার নাম রিয়া।
জীবনে কখন ভাবিনি আমার হুজুর টাইপের কারো সাথে বিয়ে হবে।আমার ইচ্ছা না থাকা সত্তেও পরিবারের চাপে বিয়ের পিড়িতে বসতে হয়।
জীবনে কখন ভাবিনি আমার হুজুর টাইপের কারো সাথে বিয়ে হবে।আমার ইচ্ছা না থাকা সত্তেও পরিবারের চাপে বিয়ের পিড়িতে বসতে হয়।
একটা সমাজকে,রাষ্ট্রকে পেছনের দিকে টেনে নিয়ে যায় এসব হুজুর সম্প্রদায়,তা জেনেও
বিয়ে করব কিনা হুজুরকে,
ভাবতেই কেমন
যেন
সংকোচ বোধ
হচ্ছিল।
এমনিতেই পুরুষ আধিপত্য সমাজে নিগৃহীত স্ত্রীদের খবর শুনে শুনে,
বিয়ে করতে ইচ্ছা করছিল
না। তাতে আবার
এক
বান্ধবি এসে বলল:-
কিরে রিয়া তুই
হুজুরকে বিয়ে করলি আর
পাত্র
খুজে পাসনি।
আর
এক
ভাবী এসে কানে ফিসফিস
করে বলল:- তোর
বরের
তো সারা মুখেই
দারি, কিশ
করবি কোথায় ।
খুব
বিরক্ত
লাগছিল
। ইচ্ছা করছিল
এখুনি আসন
থেকে উঠে যাই।
হটাৎ পায়ের
ঠক
ঠক
আওয়াজে ঘোমটার
ফাক দিয়ে আড়
চোখে দেখলাম
একজন লোক
আসতেছে। তার
বেশভুষা আর
গঠন
দেখে বুঝলাম
উনি আমার
স্বামী।
অনিচ্ছা থাকা সত্তেও
উঠে গিয়ে পায়ে হাত
দিয়ে সালাম
করতে গেলাম।সে আমার হাতের স্পর্শেই কেঁপে উঠল এবং থাক
থাক বলে আমার দুই বাহুতে হাত
দিয়ে তুলে বিছানায়
শোয়ালো।তারপর লাফ দিয়ে খাট থেকে নেমেই দরজায় দিল খিল।অতপর, কাছে এসে বলল:-
শুনো এত দেরি করনের সময় নাই।খামাখা সন্ধার পর থিকা এই সেই কইরা সময় নষ্ট।নয়ত, এতক্ষনে কয়েক দান মাইরা দিতে পাইত্তাম।
খুব
ইচ্ছা করছিল
বলতে আমার,কেবল দান মারার খেয়ালে
আমাকে বিয়ে করেছেন।
বললাম না।কারন,বাঙ্গালী নারীর তো এত কথা বলতে নেই!ইচ্ছা অনিচ্ছার মূল্য নেই।
কোথাকার এক আরব সেই কবে বলে গেল, স্ত্রী যদি তার স্বামীকে সেক্স করতে না দেয়,তবে সারারাত ফেরেশতারা ঐ নারীকে লানত দেবে!হায়রে ব্লাকমেইল করে ভোগ করার কি ফন্দি!আর বেচারা ফেরেশতারাও যেন স্বামী স্ত্রীর সঙ্গমেও দর্শকের সারিতে সারারাত পাহারা দেয়!
কিন্তু,যাইহোক,আমি চুপ।
সে বিরক্ত। আমার গালে বারকয়েক চাটার মত শব্দ করে গাল ঘষে ঘষে জোরে জোরে নিশ্বাস নিতে লাগল হুজুর স্বামীটা।
তারপর কি মনে করে উঠে দাঁড়াল এবং নিজের পাজামা পাঞ্জাবী খুলে নগ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে টেবিলে রাখা জগ থেকে পানি ঢেলে খেতে লাগল।
ডিম লাইটে দাঁড়িওয়ালা নগ্ন এক হুজুর রুমে হাটাহাটি করছে,পানি খাচ্ছে,আবার আতর লাগাচ্ছে কানে নাকে,বগলের নিচে…!
নাহ! আর পারছি না।ফিক করে হেসে দিলাম।
সে রাগ্বত দৃষ্টিতে তাকাল একবার।কিছু বলল না।
তারপর কাছে এসে আমায় বিবসনা করার মূহুর্তে নাম জেনে নিয়ে বলল, শুনো,
তুমি কি জানো রিয়া নামের অর্থ
কি ?
মেজাজটা খারাপ
হওয়ার উপক্রম,
বললাম:-
না।
–শোন
আরবিতে রিয়া শব্দের
অর্থ
অহংকার। আর
মানুষকে যে জিনিসগুলা ধ্বংস করে দেয়
তার
মধ্যে রিয়া অন্যতম
।তাই
আজ
থেকে আমি তোমাকে মীম
বলে ডাকব ।
নাহ
আর
মেজাজটা ঠিক
রাখতে পারছি না বাসর
রাতে আমার
স্বামী আমাকে অর্থ
শেখাচ্ছে কারো মাথা ঠিক থাকার
কথা।রাগ সামলে একটু
বিরক্ত
সুরে বললাম:-
আপনার
যেটা ভাল
লাগে সেটাই
ডাকিয়েন।কিন্তু আপনি যে নিজের খুশিমত আমার নাম পাল্টাচ্ছেন,আমার ভাল লাগা মন্দ লাগার খবর না নিয়ে, জবরদস্তী করে কাপড় খুলছেন, সেটা কি পুরুষ হবার ক্ষমতাবলের অহংকার নয়?
বুঝতে পারছে মনে হয়।
বলল,আচ্ছা একবার করব শুধু।তারপর তুমি ঘুমিয়ে পর।
ঘুমটা ভাঙ্গল
গুন
গুন আওয়াজে।
কান
খারা করে আওয়াজটা শুনতে চেষ্টা করলাম
বুঝলাম কেউ বিলাপ করতে করতে নাকি স্বরে
কোরআন পড়ছে।
তাকিয়ে দেখি
আমার স্বামী হেলছে দুলছে আর কোরান তিলওয়াত করছে।
তিলোয়াত
শুনতে ভালই
লাগছিল।যেকোনো ধর্মের ধর্মিয় সঙ্গীত,তিলওয়াত বা মেডিটেশনের সংগিত ধ্বনিতে মাথা ঝিম ধরা একটা শব্দ অনুভুতি আছে।
তাই
একটু
উঠে বসলাম।
আমাকে উঠে বসতে দেখে তিলোয়াত বন্ধ
করে বলল:-
আসসালামু
আলাইকুল।শুনো,রাতে তো তোমাকে ঘুমের মধ্যে অনেক ট্রাই করলাম।একবার মনে হল,ঘুমন্ত নারীর সাথে সহবত করার ব্যাপারে কোরান হাদিসে তো কিছু পাই নাই।কিছু করতে গেলে বিদাত হয় কিনা,তাই করলাম না।যাও, গোসল করে আস।তারপর সালাত আদায় করো।তারপর সবাইর সাথে দেখা করার আগে আরেকবার করব।
এভাবেই
কাটছিল
দিনগুলা।এর
মাঝে উনি আমাকে নানা ভাবে নামাজ
পরার
কথা বলত।নামাজ না পড়লে খেতে দেবেন না,এমনি আলাদাও হয়ে যেতে পারেন এসব ধমক দিত।
আমি বাঙ্গালি ঘরের মেয়ে।পড়াশোনা বেশি না।তালাক দিলে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবো! ঐ রকম ডিগ্রি থাকলে না হয় নিজের পায়ে দাঁড়াতাম,চাকরি করতাম। লাথি কিল অপমান সহেও স্বামী নামক ভাতার এর করুণার পাত্রি হয়ে কাটিয়ে দিতাম না সারাটি জীবন।
একদিন
নামাজ
পরা শুরু
করলাম।
দেখলাম তার
মুখটা খুশিতে ভরে উটেছে। তার
হাসি মাখা মুখটা দেখতে করুনা লাগত।আরবদের ধর্ম ও সংষ্কৃতি সে এমন ভাবে গিলেছে যে, তার জীবনটা এখন আরবের বৃত্তে ঢুকে গেছে।অবশ্য,আমার নিজের উপরও করুনা হয়,একজন প্রতিবন্ধির মত অন্যে ঘাড়ে চেপে খাচ্ছি বলে।
নামাজ ৫
ওয়াক্ত হলেও
আমি ৪
ওয়াক্তর ডিউটি করতাম।
ফজরের ডিউটি করতাম
না।
খুব
দিগদারি লাগত।
সে আমাকে ডাকলেও উঠতাম না।
এটা সে টের পেয়ে গিয়েছিল
যে আমি ইচ্ছা করেই
উঠি না। তাই তারপর একদিন জোর জবরদস্তি করে উঠিয়ে বলল:-
দ্যাখো তুমি এভাবে যদি তুমি নামাজ না পড়ো,তবে আল্লাহ বিচারের দিন আমায় ধরবে।তোমার কারনে তিনি সেদিন আমায় জান্নাত দিবেন না।তা তো হয় না।তোমার মত এক আবাঙ্গাল মাইয়ার জন্য আমি জান্নাতি ৭০ হুরগনের দেখা পাব না,তা আমি হতে দিতে তো পারি না।তাই,আজ থেকে যদি ৫ ওয়াক্ত নামাজ না পড়,তবে আলাহর কসম বাইন তালাক দিব।
এসব শুনে আমার
চোখে পানি এসে গিয়েছিল। তারপর
থেকে আজ
পর্যন্ত আমি ১
ওয়াক্ত
নামাজও
আর কাজা করিনি।
সর্বদাই
ধর্মিয়
অনুশাসন
মেনে চলি।
আহ! যদি ঠিক মত পড়াশোনা করতাম,চাকরি করে স্বাবলম্বী হতাম,নিজের মর্যাদা বুঝে নিতাম,স্বামীর কথায় কথায় অপমান সইতে হত না,নিজের ইচ্ছা স্বপ্ন আশা নষ্ট হতে দিতাম না।
কথায়
বলে সাত পড়াশোনা না
করলে এরকমই জীবন যাপন
করতে হয়।
ইতি, বর্তমানের স্বামী দ্বারা প্রাপ্ত নামওয়ালি ‘মিম’
বিয়ে করব কিনা হুজুরকে,
ভাবতেই কেমন
যেন
সংকোচ বোধ
হচ্ছিল।
এমনিতেই পুরুষ আধিপত্য সমাজে নিগৃহীত স্ত্রীদের খবর শুনে শুনে,
বিয়ে করতে ইচ্ছা করছিল
না। তাতে আবার
এক
বান্ধবি এসে বলল:-
কিরে রিয়া তুই
হুজুরকে বিয়ে করলি আর
পাত্র
খুজে পাসনি।
আর
এক
ভাবী এসে কানে ফিসফিস
করে বলল:- তোর
বরের
তো সারা মুখেই
দারি, কিশ
করবি কোথায় ।
খুব
বিরক্ত
লাগছিল
। ইচ্ছা করছিল
এখুনি আসন
থেকে উঠে যাই।
হটাৎ পায়ের
ঠক
ঠক
আওয়াজে ঘোমটার
ফাক দিয়ে আড়
চোখে দেখলাম
একজন লোক
আসতেছে। তার
বেশভুষা আর
গঠন
দেখে বুঝলাম
উনি আমার
স্বামী।
অনিচ্ছা থাকা সত্তেও
উঠে গিয়ে পায়ে হাত
দিয়ে সালাম
করতে গেলাম।সে আমার হাতের স্পর্শেই কেঁপে উঠল এবং থাক
থাক বলে আমার দুই বাহুতে হাত
দিয়ে তুলে বিছানায়
শোয়ালো।তারপর লাফ দিয়ে খাট থেকে নেমেই দরজায় দিল খিল।অতপর, কাছে এসে বলল:-
শুনো এত দেরি করনের সময় নাই।খামাখা সন্ধার পর থিকা এই সেই কইরা সময় নষ্ট।নয়ত, এতক্ষনে কয়েক দান মাইরা দিতে পাইত্তাম।
খুব
ইচ্ছা করছিল
বলতে আমার,কেবল দান মারার খেয়ালে
আমাকে বিয়ে করেছেন।
বললাম না।কারন,বাঙ্গালী নারীর তো এত কথা বলতে নেই!ইচ্ছা অনিচ্ছার মূল্য নেই।
কোথাকার এক আরব সেই কবে বলে গেল, স্ত্রী যদি তার স্বামীকে সেক্স করতে না দেয়,তবে সারারাত ফেরেশতারা ঐ নারীকে লানত দেবে!হায়রে ব্লাকমেইল করে ভোগ করার কি ফন্দি!আর বেচারা ফেরেশতারাও যেন স্বামী স্ত্রীর সঙ্গমেও দর্শকের সারিতে সারারাত পাহারা দেয়!
কিন্তু,যাইহোক,আমি চুপ।
সে বিরক্ত। আমার গালে বারকয়েক চাটার মত শব্দ করে গাল ঘষে ঘষে জোরে জোরে নিশ্বাস নিতে লাগল হুজুর স্বামীটা।
তারপর কি মনে করে উঠে দাঁড়াল এবং নিজের পাজামা পাঞ্জাবী খুলে নগ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে টেবিলে রাখা জগ থেকে পানি ঢেলে খেতে লাগল।
ডিম লাইটে দাঁড়িওয়ালা নগ্ন এক হুজুর রুমে হাটাহাটি করছে,পানি খাচ্ছে,আবার আতর লাগাচ্ছে কানে নাকে,বগলের নিচে…!
নাহ! আর পারছি না।ফিক করে হেসে দিলাম।
সে রাগ্বত দৃষ্টিতে তাকাল একবার।কিছু বলল না।
তারপর কাছে এসে আমায় বিবসনা করার মূহুর্তে নাম জেনে নিয়ে বলল, শুনো,
তুমি কি জানো রিয়া নামের অর্থ
কি ?
মেজাজটা খারাপ
হওয়ার উপক্রম,
বললাম:-
না।
–শোন
আরবিতে রিয়া শব্দের
অর্থ
অহংকার। আর
মানুষকে যে জিনিসগুলা ধ্বংস করে দেয়
তার
মধ্যে রিয়া অন্যতম
।তাই
আজ
থেকে আমি তোমাকে মীম
বলে ডাকব ।
নাহ
আর
মেজাজটা ঠিক
রাখতে পারছি না বাসর
রাতে আমার
স্বামী আমাকে অর্থ
শেখাচ্ছে কারো মাথা ঠিক থাকার
কথা।রাগ সামলে একটু
বিরক্ত
সুরে বললাম:-
আপনার
যেটা ভাল
লাগে সেটাই
ডাকিয়েন।কিন্তু আপনি যে নিজের খুশিমত আমার নাম পাল্টাচ্ছেন,আমার ভাল লাগা মন্দ লাগার খবর না নিয়ে, জবরদস্তী করে কাপড় খুলছেন, সেটা কি পুরুষ হবার ক্ষমতাবলের অহংকার নয়?
বুঝতে পারছে মনে হয়।
বলল,আচ্ছা একবার করব শুধু।তারপর তুমি ঘুমিয়ে পর।
ঘুমটা ভাঙ্গল
গুন
গুন আওয়াজে।
কান
খারা করে আওয়াজটা শুনতে চেষ্টা করলাম
বুঝলাম কেউ বিলাপ করতে করতে নাকি স্বরে
কোরআন পড়ছে।
তাকিয়ে দেখি
আমার স্বামী হেলছে দুলছে আর কোরান তিলওয়াত করছে।
তিলোয়াত
শুনতে ভালই
লাগছিল।যেকোনো ধর্মের ধর্মিয় সঙ্গীত,তিলওয়াত বা মেডিটেশনের সংগিত ধ্বনিতে মাথা ঝিম ধরা একটা শব্দ অনুভুতি আছে।
তাই
একটু
উঠে বসলাম।
আমাকে উঠে বসতে দেখে তিলোয়াত বন্ধ
করে বলল:-
আসসালামু
আলাইকুল।শুনো,রাতে তো তোমাকে ঘুমের মধ্যে অনেক ট্রাই করলাম।একবার মনে হল,ঘুমন্ত নারীর সাথে সহবত করার ব্যাপারে কোরান হাদিসে তো কিছু পাই নাই।কিছু করতে গেলে বিদাত হয় কিনা,তাই করলাম না।যাও, গোসল করে আস।তারপর সালাত আদায় করো।তারপর সবাইর সাথে দেখা করার আগে আরেকবার করব।
এভাবেই
কাটছিল
দিনগুলা।এর
মাঝে উনি আমাকে নানা ভাবে নামাজ
পরার
কথা বলত।নামাজ না পড়লে খেতে দেবেন না,এমনি আলাদাও হয়ে যেতে পারেন এসব ধমক দিত।
আমি বাঙ্গালি ঘরের মেয়ে।পড়াশোনা বেশি না।তালাক দিলে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবো! ঐ রকম ডিগ্রি থাকলে না হয় নিজের পায়ে দাঁড়াতাম,চাকরি করতাম। লাথি কিল অপমান সহেও স্বামী নামক ভাতার এর করুণার পাত্রি হয়ে কাটিয়ে দিতাম না সারাটি জীবন।
একদিন
নামাজ
পরা শুরু
করলাম।
দেখলাম তার
মুখটা খুশিতে ভরে উটেছে। তার
হাসি মাখা মুখটা দেখতে করুনা লাগত।আরবদের ধর্ম ও সংষ্কৃতি সে এমন ভাবে গিলেছে যে, তার জীবনটা এখন আরবের বৃত্তে ঢুকে গেছে।অবশ্য,আমার নিজের উপরও করুনা হয়,একজন প্রতিবন্ধির মত অন্যে ঘাড়ে চেপে খাচ্ছি বলে।
নামাজ ৫
ওয়াক্ত হলেও
আমি ৪
ওয়াক্তর ডিউটি করতাম।
ফজরের ডিউটি করতাম
না।
খুব
দিগদারি লাগত।
সে আমাকে ডাকলেও উঠতাম না।
এটা সে টের পেয়ে গিয়েছিল
যে আমি ইচ্ছা করেই
উঠি না। তাই তারপর একদিন জোর জবরদস্তি করে উঠিয়ে বলল:-
দ্যাখো তুমি এভাবে যদি তুমি নামাজ না পড়ো,তবে আল্লাহ বিচারের দিন আমায় ধরবে।তোমার কারনে তিনি সেদিন আমায় জান্নাত দিবেন না।তা তো হয় না।তোমার মত এক আবাঙ্গাল মাইয়ার জন্য আমি জান্নাতি ৭০ হুরগনের দেখা পাব না,তা আমি হতে দিতে তো পারি না।তাই,আজ থেকে যদি ৫ ওয়াক্ত নামাজ না পড়,তবে আলাহর কসম বাইন তালাক দিব।
এসব শুনে আমার
চোখে পানি এসে গিয়েছিল। তারপর
থেকে আজ
পর্যন্ত আমি ১
ওয়াক্ত
নামাজও
আর কাজা করিনি।
সর্বদাই
ধর্মিয়
অনুশাসন
মেনে চলি।
আহ! যদি ঠিক মত পড়াশোনা করতাম,চাকরি করে স্বাবলম্বী হতাম,নিজের মর্যাদা বুঝে নিতাম,স্বামীর কথায় কথায় অপমান সইতে হত না,নিজের ইচ্ছা স্বপ্ন আশা নষ্ট হতে দিতাম না।
কথায়
বলে সাত পড়াশোনা না
করলে এরকমই জীবন যাপন
করতে হয়।
ইতি, বর্তমানের স্বামী দ্বারা প্রাপ্ত নামওয়ালি ‘মিম’

No comments:
Post a Comment