আ,হ জুবেদ:: কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে ৪৫তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হলো।
মহান এই দিবসটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার লক্ষে কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দুতাবাসে নানান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।
সকাল ৯:০০ ঘটিকায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৯:১৫ মিনিটে পবিত্র কোরান তেলাওয়াত, ৯:১৬ মিনিটে এক মিনিট নীরবতা পালন, ৯:১৭ মিনিটে বাণী সমূহ পাঠ, ৯:৩৫ মিনিটে প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন, ১০:০০ টায় স্বাধীনতা দিবসের উপর আলোচনা ও ১০:৩০ মিনিটে সমাপনী বক্তব্য।
কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের এডমিনিষ্ট্রেশন অফিসার সঞ্চালক সহযোগী মিজানুর রহমান ও নব নিযুক্ত প্রথম সচিব আনিসুজ্জামানের প্রাণবন্ত মূল সঞ্চালনায় অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন চার্য দ্যা অ্যাফায়ার্স কাউন্সিলর এস এম মাহবুবুল আলম।
এদিকে অনুষ্টানের শুরুতেই রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শুনান, ডিফেন্স এ্যাটচি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিমুল গনি, কাউন্সিলর আবদুল লতিফ খান, প্রথম সচিব আনিসুজ্জামান, সোনালী ব্যাংক প্রতিনিধি সাফায়েত হোসেন পাটোয়ারী।
এদিকে উক্ত অনুষ্টানে কুয়েত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দরা দিবসটির উপর মূল্যবান বক্তব্য রাখেন,
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ উদ্দিন, সাদেক হুসেন, শেখ আকরামুজ্জামান,সাংবাদিক আব্দুর রউফ মাওলা, হাজী মাহমুদ আলী,নজরুল ইসলাম, শাহ নেওয়াজ নজরুল, আতাউল গনি মামুন, বাহার উদ্দিন, আব্দুল হাই মামুন, রফিকুল ইসলাম ভুলু, আব্দুল আহাদ, দিদারুল আলম দিদার প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দরা বলেন, ১৯৭১ সালের এ দিনে পাকিস্তানের শোষণ ও দুঃশাসনের নাগপাশ ছিন্ন করে স্বাধীন হয় প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। আজ সেই ইতিহাসের অম্লান দিন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ২৫ মার্চ দিবাগত মধ্যরাতের প্রথম প্রহরেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পর শুরু হয় সর্বাত্মক মুক্তিযুদ্ধ। ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে একসাগর রক্তের বিনিময়ে ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় মহান বিজয়। প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন–সার্বভৌম বাংলাদেশ, স্বাধীনতার স্বাদ পায় বাংলার মানুষ। তাই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সুখী-সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার মাধ্যমেই অর্জিত হতে পারে মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে। আর আমাদের সামনে দিনবদলের হাতছানি নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকার। দেশের মানুষ আজ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সুখী-সমৃদ্ধ অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষায় উজ্জীবিত।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাভিশন টেলিভিশনের বার্তা প্রধান শেখ মোস্তফা ফিরোজ সহ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কুয়্তে রাজ্যের নেতৃবৃন্দ,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কুয়েত রাজ্যের নেতৃবৃন্দ ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দরা।
এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার বহু প্রবাসী বাংলাদেশীরা উপস্থিত ছিলেন।

No comments:
Post a Comment